স্মার্ট প্রযুক্তি হবে মানবিক

৪ মার্চ, ২০২৩ ১২:১২  

ডিজিটাল হয়েছে দেশ। এবার স্মার্ট হবার পালা। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। গবেষণা ও উদ্ভাবন। এজন্য প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার মাধ্যমে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন সরকার প্রধান।

প্রধনামন্ত্রীর নির্দেশিত সেই পথেই হেটে চলছেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে এবার তৃতীয় শ্রেণি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে কোডিং শেখানোর কাজ।

স্মার্ট নাগরিক গড়ে তুলতে দেড় দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দেয়া হচ্ছে গবেষণা অনুদান। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর দেয়া হয় ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান। গেলো বৃহস্পতিবার সেই অনুষ্ঠানে অন্যান্য ক্ষেত্রে হলেও স্বাস্থ্য খাতে প্রত্যাশিত গবেষণা না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অথচ গবেষণায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মুক্ত হস্তে কাজ করছে। তৈরি হয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনলোজি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নভোথিয়েটার, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসের মতো আধুনিক প্রতিষ্ঠান। ২০১০-১১ থেকে ২২-২৩ অর্থ বছর পর্যন্ত ৬৮২ জরকে ২৬৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ২৫৭০১ জন শিক্ষার্থীকে ১৫৭ কোটি ৫১ লাখ টাকার জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে।